Skip to main content

Featured Post

ওলামা মাশায়েখদের খাস মজলিস। শেখ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব (দাঃবাঃ)ভারত । ২০২৩। পুরাতন সাথীদের জোড় ২০২৩

ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশ্যে বয়ান আলামী শুরার আকাবীর হজরত মাওঃ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব দাঃবাঃ পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড়। দিয়াবাড়ী উত্তরা, ঢাকা।

ওলামা মাশায়েখদের খাস মজলিস। শেখ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব (দাঃবাঃ)ভারত । ২০২৩। পুরাতন সাথীদের জোড় ২০২৩


ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশ্যে বয়ান আলামী শুরার আকাবীর হজরত মাওঃ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব দাঃবাঃ পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড়। দিয়াবাড়ী উত্তরা, ঢাকা।

Comments

Popular posts from this blog

দাওয়াত ও তাবলীগের সংকটের নেপথ্যে-মাওলানা সাদ সাহেবের দলীলবিহীন গায়বী কথা বলা ও বিদআত আবিষ্কার করা

মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব (দাঃবাঃ) ।। আপনারা জানেন, দ্বীনের বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলতে হলে দলীলভিত্তিক বলতে হয়। আন্দাযে কথা বলা, ধারণাভিত্তিক কথা বলা, অনুমান করে কথা বলা জায়েয নেই। গায়বী কথা, যেটা জানার সূত্র হল একমাত্র অহী। আল্লাহ তাআলা নবীদেরকে অহীর মাধ্যমে অনেক গায়বী কথা জানিয়েছেন। এখন তো অহী বাকি নেই। তাহলে এখন যদি গায়বী কথা বলে, সেটা অনুমান ভিত্তিক হবে না? মাওলানা সা‘দ সাহেবের বড় এক মসীবত হল গায়বী কথা বলা, গায়বী কথা মানেই তো দলীলবিহীন কথা। গায়বী কথা মানেই তো যার কোনো দলীল নেই। যে গায়বী বিষয়গুলোর আলোচনা কুরআন-হাদীসে এসে গেছে সেগুলো তো কুরআন-হাদীসে আছেই এবং সেগুলো অহীর মাধ্যমে এসেছে। কিন্তু এর বাইরে তিনি অনেক গায়বী এবং আন্দাযে কথা বলেন। এটা ছোট ভুল না বড় ভুল? বড় ভুল। এটা কি সগীরা গোনাহ না কবীরা গোনাহ? কবীরা গোনাহ। মাওলানা সা‘দ সাহেবের বড় মসীবত এবং একটি বড় ভুল হল এই গায়বী কথা বলা। ২. মাওলানা সা‘দ সাহেবের আরেকটি বড় ভুল হল, তিনি #দলীল_পরিপন্থী এমন অনেক #গলত_মাসআলা এবং #গলত_মতবাদ_আবিষ্কার করতে থাকেন, কোনো সাহাবী, কোনো তাবিয়ী এবং কোনো মুজতাহিদ এমন কথা বলেননি; বরং তা সম্পূর্ণ তার নিজের আবি...

সরেজমিন : ফিরে দেখা ১ ডিসেম্বর, কী ঘটেছিল সেদিন

সরেজমিন : ফিরে দেখা ১ ডিসেম্বর, কী ঘটেছিল সেদিন [এ লেখাটির প্রধান উদ্দেশ্য ইতিহাস সংরক্ষণে অংশগ্রহণ। কারণ ইতিহাসের যথাযথ সংরক্ষণ- এটি প্রতিটি প্রজন্মের উপর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হক। আরেকটি উদ্দেশ্য হল, এতাআতী ভাইদের হেদায়েত কামনা। হয়ত এটা পড়ে তাদের কারো বোধ জাগবে, অন্তরে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হবে এবং সঠিক রাস্তায় ফিরে আসবে। হেদায়েত আল্লাহর হাতে, তিনিই তাওফীক দেওয়ার মালিক। আর যাদের মজলুমিয়াতের কিছুটা বিবরণ এই লেখায় উঠে এসেছে তাদের জন্য এটা ইহসান ও ইহতিসাবের সিফাত যিন্দা করার যরীআ হতে পারে। আল্লাহ তাদেরকে নিজের হেফাযতে রাখুন। এমন কথা ও কাজ থেকে বাঁচার তাওফীক দান করুন, যা মজলুমিয়াতের ফায়দা ও বরকত নষ্ট করে দেয় বা কমিয়ে দেয়। আশা করি, তারা পূর্বের মতো وَ لْیَعْفُوْا وَ لْیَصْفَحُوْا اَلَا تُحِبُّوْنَ اَنْ یَّغْفِرَ اللهُ لَكُمْ (তারা যেন ওদেরকে ক্ষমা করে এবং ওদের দোষ-ত্রুটি উপেক্ষা করে। তোমরা কি চাও না, আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিন? -সূরা নূর (২৪) : ২২) -এর উপর আমল জারি রাখবেন। -তত্ত্বাবধায়ক]  - মাসউদুয যামান শহীদ ১ ডিসেম্বর ২০১৮।  মনে পড়ে যায় টঙ্গীর ইজতিমা ময়দানের সেই লোমহর্ষক কাহিনী, ...