Skip to main content

Posts

Showing posts with the label 📚 কুরআনের কথা

Featured Post

ওলামা মাশায়েখদের খাস মজলিস। শেখ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব (দাঃবাঃ)ভারত । ২০২৩। পুরাতন সাথীদের জোড় ২০২৩

ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশ্যে বয়ান আলামী শুরার আকাবীর হজরত মাওঃ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব দাঃবাঃ পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড়। দিয়াবাড়ী উত্তরা, ঢাকা।

হাসান আল বাসরি (রহঃ) ও একটি কবরের ঘটনা

এরপর এক ব্যক্তির দাফন কার্য শেষে হাসান আল বাসরি রহঃ তার কবরের পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন।   এরপর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একজনকে জিজ্ঞেস করলেন, এই ব্যক্তি যদি ২য় বার দুনিয়াতে ফিরে আসার সুযোগ পায় তাহলে সে কী করবে? উত্তরে লোকটি বলল, বেশি বেশি সাদাকা করবে, ইস্তিগফার করবে, সালাত পড়বে, অধিক পরিমাণে সৎকাজ করবে। হাসান আল বাসরি বললেন, সেই সুযোগ তো এখন আর তার রইল না। তোমাদের যাদের এখনো সেই সুযোগ আছে, তোমরা সেটাকে অবহেলায় নষ্ট কোরো না। আল্লাহ তা’আলার বাণী বড় সত্য_ ২৩:৯৯  حَتّٰۤی اِذَا جَآءَ اَحَدَهُمُ الۡمَوۡتُ قَالَ رَبِّ ارۡجِعُوۡنِ ﴿ۙ۹۹﴾ ২৩:১০০  لَعَلِّیۡۤ اَعۡمَلُ صَالِحًا فِیۡمَا تَرَکۡتُ کَلَّا ؕ اِنَّهَا کَلِمَۃٌ هُوَ قَآئِلُهَا ؕ وَ مِنۡ وَّرَآئِهِمۡ بَرۡزَخٌ اِلٰی یَوۡمِ یُبۡعَثُوۡنَ ﴿۱۰۰﴾ ৯৯. অবশেষে যখন তাদের কারো মৃত্যু আসে, সে বলে, হে আমার রব! আমাকে আবার ফেরত পাঠান(১), ১০০. যাতে আমি সৎকাজ করতে পারি যা আমি আগে করিনি।(২) না, এটা হবার নয়। এটা তো তার একটি বাক্য মাত্র যা সে বলবেই(৩)৷ তাদের সামনে বার্‌যাখ(৪) থাকবে উত্থান দিন পর্যন্ত। ______________________________________________...

আখেরাতের জন্য দুনিয়ার প্রস্তুতি কেমন হওয়া জরুরি

পরকাল। সীমাহীন প্রাপ্তির স্থান। যার শুরু আছে কিন্তু শেষ বলে কিছু নেই। পরকালের সব জিনিসের প্রাপ্তি দুনিয়ার তুলনায় সীমাহীন। নেয়ামত যেমন সীমাহীন; দুঃখ-কষ্টও সীমাহীন। যারা যেমন কাজ করবে; তারা তেমন ফলাফল ভোগ করবে। কিন্তু মানুষ কি জানে দুনিয়ার তুলনায় পরকালের প্রাপ্তি কেমন? হজরত মুসতাওরিদ ইবনে সাদ্দাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন- ما الدنيا في الآخرة إلا مِثْل ما يجعل أحدكم أُصْبُعَهُ في اليَمِّ، فلينظر بِمَ يَرْجع ‘আখেরাত তথা পরকালের তুলনায় দুনিয়ার দৃষ্টান্ত ঐরূপ, যেমন তোমাদের কেউ সমুদ্রে আঙ্গুল ডুবায় এরপর দেখে তা কতটুকু পানি নিয়ে ফিরে এসেছে।’ (মুসলিম) জীবনের কাজ এবং এর সফলতা ও ব্যর্থতার হিসাব করতে গেলে দুনিয়া ও আখেরাতের বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি। মানুষ দুনিয়ার এ সামান্য সময়ের জীবন-যাপনকে যতবেশি গুরুত্ব দেয় এর চেয়ে তুলনাহীন গুরুত্বপূর্ণ পরকাল। কেননা পরকাল হবে সীমাহীন। যেখানে জীবনের শুরু আছে শেষ বলে কোনো কিছু নেই। এ হাদিসে দুনিয়ার তুলনায় সব বিষয়ে পরকালের বাস্তবতা বা দৃষ্টান্ত পেশ করা হয়েছে। চিন্তাশীল মানুষের জন্য বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসের ব্যাখ্যা মানুষ যদি আখেরাতের তুলনায়...

আল কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান-Al Quran O Adhunik Biggan

আল কুরআন বিশ্বজগতের স্রষ্টা ও প্রতিপালক মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কালাম বা বাণী। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন খেলাফতের দায়িত্ব দিয়ে। সে দায়িত্ব যেন মানুষ সঠিকভাবে প্রতিপালে সক্ষম হয় সে জন্য পাঠিয়েছেন নবী ও রাসূল, নাজিল করেছেন কিতাব। প্রথম মানুষ ও প্রথম নবী আদি পিতা আদম (আ.) থেকে নূহ (আ.)-এর পূর্ব পর্যন্ত নবীগণ (তাকভিনিয়াত) সৃষ্টিতত্ত্ব, প্রকৃতিবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান চর্চা করেছেন অধিক হারে। হজরত নূহ (আ.) থেকে শুরু করে (তাশরিইয়াত) বিধিবিধান ব্যাপকতা লাভ করে। আল কুরআন কোনো ইতিহাস গ্রন্থ নয়; কিন্তু এতে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ইতিহাসের তথ্য ও তত্ত্ব। আল কুরআন কোনো সাহিত্যকর্ম নয়; কিন্তু এতে রয়েছে সাহিত্যের সব রসদ। আল কুরআন কোনো গল্প-উপন্যাস নয়; কিন্তু এতে রয়েছে জগতের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক কাহিনি। আল কুরআন কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়; কিন্তু এতে রয়েছে কালোত্তীর্ণ অমর মহাকাব্যের সব ধরনের উপাদান। আল কুরআন জীবন্ত মুজিজা। মানুষের জীবন চলার পথে পরিবেশ ও প্রতিবেশকে ইতিবাচক ও কল্যাণকর রূপে ব্যবহারের পরিশীলিত সুবিন্যস্ত জ্ঞানই হলো বিজ্ঞান। আল কুরআন শ্রেষ্ঠতম মহাবিজ্ঞান। ...

জালেম কো জুলুম কারনে দো, জুলুম হি উসকো লেকে ডুবায়ে গা- Julumer Voiabohota

জালেম কো জুলুম কারনে দো, জুলুম হি উসকো লেকে ডুবায়ে গা শুধু মৌলিক (ফরজ) ইবাদত পালনের নামই ইসলাম নয়। বরং এর সাথে আরো অনেক আনুষঙ্গিক ইবাদত, ধর্মীয় আচার-আচরণ, রীতিনীতি ও বান্দার সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন অধিকার জড়িত রয়েছে। কেউ যেন তার অপর ভাই দ্বারা শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক বা অন্য যেকোনো উপায়ে আঘাতপ্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এ ব্যাপারে ইসলাম কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। মানবতার মুক্তির দিশারী প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ ﷺ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অন্যের ক্ষতি করবে, আল্লাহ তার ক্ষতি করবেন ’ (ইবনে মাজাহ-২৩৪২)। অন্য হাদিসে রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানের ক্ষতি করল অথবা তাকে ধোঁকা দিলো সে অভিশপ্ত ’ (সুনানে তিরমিজি১/৯৪১)। ইসলামে এ ধরনের কাজ বা আচরণকে ‘জুলুম ’ বলা হয়। আর যারা এমন কাজ করে বেড়ায় তাদের বলা হয় জালিম বা অত্যাচারী। জুলুমকারীর পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। জালিমকে আল্লাহ বরদাশত করেন না। অন্যের ওপর জুলুম, নির্যাতন করে জালিমরা তাদের ধ্বংস ডেকে আনে। আপদ-বিপদ, দুর্যোগ-বিশৃঙ্খলায় আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো জুলুম। কুরআনের ঘোষণা, بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّ...

ধন-সম্পদ, সন্তান কোনো কিছুই তার কাজে আসবে না — আল-মাসাদ (সূরা আল - লাহাব)

সুরা মাসাদ বা লাহাব কুর‘আনের অন্যতম বিতর্কিত সূরাহ। শুধুই যে অমুসলিমরা এই সূরাহকে আক্রমণ করে তাই নয়, একইসাথে অনেক মুসলিমদেরকেও দেখা যায় এই সূরাহ নিয়ে নানা সন্দেহে ভুগতে। তাদের উভয়ের অভিযোগ হচ্ছে, কেন কুর‘আনে শুধুই দুইজনকে অভিশাপ দিয়ে পুরো একটা সূরাহ দেওয়া হলো? এই সূরাহ পড়ে মুসলিমদের কী লাভ? কুর‘আন না মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক? এই সূরাহ’র মধ্যে তো কোনো পথনির্দেশ দেখা যাচ্ছে না? কোটি কোটি মানুষ এই সূরাহ মুখস্ত করে কোটি কোটি বার পড়ছে, শুধুই কোনো এক বদ পরিবারকে অভিশাপ দেওয়ার জন্য, এ কেমন কথা হলো? নামাজে দাঁড়িয়ে লক্ষ কোটি মানুষ এক পরিবারের গুষ্টি উদ্ধার করছে, এতে মুসলিম উম্মাহর কী উপকার হচ্ছে? بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্ল ­ াহর নামে (শুরু করছি) تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ তাব্বাত ইয়াদা আবী লাহাবিওঁ ওয়াতাব্বা ধ্বংস হোক আবু লহবের উভয় হাত, আর সে-ও ধ্বংস হোক! مَا أَغْنَى عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ মা আগনা আনহু মালুহু ওয়ামা কাছাব তার ধন-সম্পদ ও যা সে অর্জন করেছে তা তার কোনো কাজে আসবে না। سَيَصْلَى نَارًا ذ...

আকাশকে খুলে দেওয়া হবে — আন-নাবা ১৭-৩০ । Akash Khule dea hobe-an naba 17-30

  চৌধুরী সাহেব স্বপরিবারে সমুদ্রের পাড়ে বেড়াতে এসেছেন। পাড়ে বসে তারা সমুদ্র উপভোগ করছিলেন, কিন্তু তার শিশু বাচ্চাটি এখন ক্ষুধায় কান্না শুরু করেছে। স্ত্রীকে নিয়ে উঠলেন নিরিবিলি একটা জায়গা খুঁজে বের করতে। তারা হেঁটে যাচ্ছিলেন, আর তখন এক ভীষণ শব্দে কানে তালা লেগে গেলো। তারপর পায়ের নিচে মাটি ভীষণ জোরে ঝাঁকুনি দিলো। তিনি দূরে ছিটকে পড়ে গেলেন। উপরে তাকিয়ে দেখলেন আকাশটা যেন গোলাপের মত লাল হয়ে আছে। মনে হচ্ছে, আকাশটাকে পৃথিবীর উপর থেকে ছিঁড়ে তুলে ফেলা হয়েছে। মহাকাশ খালি চোখে দেখা যাচ্ছে। আর পুরো মহাকাশে অজস্র ফাটল তৈরি হচ্ছে। তারাগুলো একে একে ঝরে যাচ্ছে। সূর্যকে কালো একটা কী যেন ঘিরে ফেলছে। দিনের বেলাতেও রাতের মত অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। চাঁদের শেষ আলোটুকুও একসময় নিভে গেলো। সৈকতে যারা ছিল সবাই দিগ্বিদিক জ্ঞান শূন্য হয়ে একেক দিকে দৌড়াচ্ছে। এমনকি তার স্ত্রীও বাচ্চা ফেলে আতংকে দৌড়াচ্ছেন। তিনি হতবিহ্বল হয়ে ছুটছেন। কোন দিকে যাবেন কিছুই জানেন না। সামনে একটা পাহাড় দেখে সেদিকে দৌড় দিলেন, যদি উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেওয়া যায়। কিন্তু তিনি পৌঁছানোর আগেই এক ভীষণ ঝাপটা এসে পাহাড়টাকে গুড়ো-গুড়ো করে ...