Skip to main content

Posts

Showing posts with the label ☪️️ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মর্যাদা

Featured Post

ওলামা মাশায়েখদের খাস মজলিস। শেখ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব (দাঃবাঃ)ভারত । ২০২৩। পুরাতন সাথীদের জোড় ২০২৩

ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশ্যে বয়ান আলামী শুরার আকাবীর হজরত মাওঃ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব দাঃবাঃ পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড়। দিয়াবাড়ী উত্তরা, ঢাকা।

রাসূল (ﷺ) এর কিছু অনুপম আদর্শ ও বৈশিষ্ট্য-Rasuler-ﷺ-kishu-onupam-adorsho-o-boisisto

সাহাবী কবি হাস্সান ইবনে সাবিত রাযিআল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে বলেছেন,   احسن منك لم تر قط عينى - و اجمل منك لم تلد النساء خلقت مبرأ من كل عيب - كأنك قد خلقت كما تشاء   উচ্চারণ: আহসানু মিনকা লাম তারা ক্বাত্বু আইনী, ওয়া আজমালু মিনকা লাম তালিদিন নিসাউ খুলিক্তা মুর্বারাআন মিন কুল্লি আইবিন, কাআন্নাকা ক্বাদ ক্বালক্তা কামা তাশাউ   অর্থ: আপনার চেয়ে সুন্দর আমার দু ‘ চোখ কাউকে কখনো দেখেনি, আপনার চেয়ে সুন্দর সন্তান কোনো নারী কখনো জন্ম দেয়নি আপনাকে সৃষ্টি করা হয়েছে সকল দোষ-ত্রুটি মুক্ত করে (হে আল্লাহ!) যেমন আপনি চেয়েছেন ঠিক তেমন করেই তাঁকে সৃষ্টি করেছেন। কবির এই কবিতাই বলে দিচ্ছে কেমন ছিলেন তিনি ﷺ । কেমন ছিলো তাঁর অনুপম চরিত্রের সৌন্দর্য। অনুভব করে বুঝার বিষয়, বুঝানোর বিষয় নয়। এ জন্য তাঁর উন্নত আদর্শের স্বীকৃতি দিয়েছেন মহান আল্লাহ তায়ালা। পবিত্র আল কোরআনে বলা হয়েছে, ‘এবং নিঃসন্দেহে আপনি মহান চরিত্রের অধিকারী। ’ (সূরা: আল ক্বলম, আয়াত: ৪) হাদীস ও সীরাত গ্রন্ত্রগুলোতে নবী করীম সাল্লাল্লা...

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মর্যাদা রক্ষায় জীবন উৎসর্গকারী এক বীর ! #গাজি_ইলমুদ্দীন Ghazi IlmuDin Shahee رحمة الله عليه

#গাজি_ইলমুদ্দীন رحمة الله عليه রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মর্যাদা রক্ষায় জীবন উৎসর্গকারী এক বীর ! ১৯২০ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ায় রাসুলুল্লাহ (সা)কে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে একটা বই লেখা হয়। নাম ‘রঙিলা রাসুল’। পন্ডিত চম্পুতি লাল ছদ্মনামে প্রসাদ প্রতাপ নামে এক ব্যাক্তি বইটি রচনা করে। ১৯২৩ সালে মহেষ রাজপাল নামে লাহোরের এক হিন্দু প্রকাশক লেখকের নাম গোপন করে বইটি প্রকাশের দায়িত্ব নেন। বইটি প্রকাশিত হলে মুসলমানদের ভেতর ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পরে। বিপুল বিক্ষোভের মুখে লাহোর সেশন কোর্টে মামলা উঠে। কোর্ট তাকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেয়। পুরো ঘটনায় উপমহাদেশে মুসলমানরা প্রচন্ড আহত এবং ক্ষুব্ধ হয়। সর্বত্র বিক্ষোভ ছড়িয়ে পরে। সবাই রাজপালের ফাঁসি দাবি করছিলো। সেসম একজন কাঠমিস্ত্রীর তরুণ পুত্র ইলমুদ্দিন একটা সমাবেশের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি এক মাওলানার জ্বালাময়ী ভাষন শুনে উদ্দিপ্ত হয়ে উঠেন এবং এই অপরাধের প্রতিকারের শপথ নেন। ৬ সেপ্টেম্বর ১৯২৯ সালে বাজারে গিয়ে এক রুপি দিয়ে একটা ছুড়ি কিনেন। ছুড়িটা কাপড়ে লুকিয়ে রেখে রাজপালের দোকানের বিপরীতে গাজি ইলমুদ্দিন দাঁড়িয়ে থাকেন। তিনি রাজপালকে চিনতেন না তা...