Skip to main content

Posts

Showing posts with the label 📚 সহীহ হাদীস

Featured Post

ওলামা মাশায়েখদের খাস মজলিস। শেখ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব (দাঃবাঃ)ভারত । ২০২৩। পুরাতন সাথীদের জোড় ২০২৩

ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশ্যে বয়ান আলামী শুরার আকাবীর হজরত মাওঃ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব দাঃবাঃ পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড়। দিয়াবাড়ী উত্তরা, ঢাকা।

হজ্জ্বের ফায়দা যে সকল আমলে মিলবে। চলুন দেখে নেয়া যাক...

হজ্জ্বের ফায়দা যে সকল আমলে মিলবে... চলুন দেখে নেয়া যাক... হজ্জ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য-সংহতি ও সাম্যের সসুজ্জ্বল নিদর্শন। ইসলামের অন্যতম স্তম্ভও বটে।হজ্জ্বে আর্থিক ও কায়িক শ্রমের সমন্বয় রয়েছে, অন্য কোনো ইবাদতে যা একসঙ্গে পাওয়া না। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষ পবিত্র হজ্জ্ব পালনে সৌদি গমন করেন। সেখানে তারা আল্লাহর ভালোবাসার পাঠ চুকিয়ে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর ভালোবাসার ষোলকলা পূর্ণ করেন। হজ্জ্বের সওয়াব সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ ﷺ   বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করে এবং অশ্লীল ও গুনাহর কাজ থেকে বেঁচে থাকে, সে নবজাতক শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়। আর মকবুল হজের পুরস্কার জান্নাত ছাড়া অন্য কিছুই নয়। (বুখারি, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২০৬) মূলত যাদের হজ্জ্ব অথবা ওমরায় যাওয়ার সামর্থ্য ও সক্ষমতা নেই, তাদের জন্যও মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে হজ্জ্ব-ওমরাহর সওয়াব অর্জনের চমৎকার সুযোগ রয়েছে। প্রিয়নবী মুহাম্মাদ ﷺ বিভিন্ন হাদিসে সেসব আমল বাতলে দিয়েছেন। ১) ফরজ নামাজের উদ্দ্যেশ্যে বের হয় আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল ﷺ বলেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের ঘর থেকে উত্তমর...

নবী করীম “ﷺ”-এর ইন্তেকাল হতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য ফিতনা ও তার সংখ্যা সম্পর্কে অভিহিত করণ | Al-Fitan-Nuaim bin Hammad-(Hadis 16- 20)

নবী করীম “ ﷺ ”-এর ইন্তেকাল হতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য ফিতনা ও তার সংখ্যা সম্পর্কে অভিহিত করণ (হাদীস ১৬-২০) نعيم بن حماد - ١٦ حدثنا عبد الخالق بن يزيد الدمشقي عن أبيه عن مكحول عن حذيفة بن اليمان رضى الله عنه قال ما من صاحب فتنة يبلغون ثلثمائة إنسان إلا ولو شئت أن أسميه باسمه واسم أبيه ومسكنه إلى يوم القيامة كل ذلك مما علمنيه رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا بأعيانها قال أو أشباهها يعرفها الفقهاء أو قال العلماء إنكم كنتم تسألون رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الخير وأسأله عن الشر وتسألونه عما كان وأسأله عما يكون হাদিস - ১৬ রাসুলুল্লাহ ﷺ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান رضي الله عنه এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন। উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন...

জালেম কো জুলুম কারনে দো, জুলুম হি উসকো লেকে ডুবায়ে গা- Julumer Voiabohota

জালেম কো জুলুম কারনে দো, জুলুম হি উসকো লেকে ডুবায়ে গা শুধু মৌলিক (ফরজ) ইবাদত পালনের নামই ইসলাম নয়। বরং এর সাথে আরো অনেক আনুষঙ্গিক ইবাদত, ধর্মীয় আচার-আচরণ, রীতিনীতি ও বান্দার সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন অধিকার জড়িত রয়েছে। কেউ যেন তার অপর ভাই দ্বারা শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক বা অন্য যেকোনো উপায়ে আঘাতপ্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এ ব্যাপারে ইসলাম কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। মানবতার মুক্তির দিশারী প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ ﷺ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অন্যের ক্ষতি করবে, আল্লাহ তার ক্ষতি করবেন ’ (ইবনে মাজাহ-২৩৪২)। অন্য হাদিসে রাসূল ﷺ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানের ক্ষতি করল অথবা তাকে ধোঁকা দিলো সে অভিশপ্ত ’ (সুনানে তিরমিজি১/৯৪১)। ইসলামে এ ধরনের কাজ বা আচরণকে ‘জুলুম ’ বলা হয়। আর যারা এমন কাজ করে বেড়ায় তাদের বলা হয় জালিম বা অত্যাচারী। জুলুমকারীর পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। জালিমকে আল্লাহ বরদাশত করেন না। অন্যের ওপর জুলুম, নির্যাতন করে জালিমরা তাদের ধ্বংস ডেকে আনে। আপদ-বিপদ, দুর্যোগ-বিশৃঙ্খলায় আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো জুলুম। কুরআনের ঘোষণা, بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّ...

নবী করীম “ﷺ”-এর ইন্তেকাল হতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য ফিতনা ও তার সংখ্যা সম্পর্কে অভিহিত করণ | Al-Fitan-Nuaim bin Hammad-(Hadis 11- 15)

  নবী করীম “ﷺ”-এর ইন্তেকাল হতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য ফিতনা ও তার সংখ্যা সম্পর্কে অভিহিত করণ  (হাদীস ১১-১৫) نعيم بن حماد - ١١ حدثنا ابن المبارك أخبرنا المبارك بن فضالة عن الحسن عن أسيد بن المتشمس بن معاوية قال سمعت أبا موسى يقول ليكونن من أهل الإسلام بين يدي الساعة الهرج والقتل حتى يقتل الرجل جده وابن عمه وأباه وأخاه وأيم الله لقد خشيت أن تدركني وإياكم হাদিস - ১১ হযরত উসাইদ ইবনে মুতাশাসি ইবনে মুয়াবিয়া  رضي الله عنه  থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু মুসা  رضي الله عنه  কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামত আসার পূর্বে মুসলমানদের মধ্য হতে ফিতনা ও হত্যা সংঘটিত হবে। এমনকি মানুষ তার দাদা,চাচাতো ভাই, পিতা ও আপন ভাইকে হত্যা করবে। আল্লাহর শপথ! আমি আশংকা করছি যে, না জানি আমি এবং তোমরা তাতে জড়িত হয়ে যাই। نعيم بن حماد - ١٢ حدثنا جرير بن عبد الحميد عن عاصم الأحول قال حدثني شيخ عن أبي موسى الأشعري رضى الله عنه قال إن بعدكم فتنا كقطع الليل المظلم يصبح الرجل فيها مؤمنا ويمسي كافرا ويمسي مؤمنا ويصبح كافرا হাদিস - ১২ হযরত আবু মুসা আশআরী  رضي الله عنه  থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,...

নবী করীম “ﷺ”-এর ইন্তেকাল হতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য ফিতনা ও তার সংখ্যা সম্পর্কে অভিহিত করণ | Al-Fitan-Nuaim bin Hammad-(Hadis 6- 10)

  নবী করীম “ﷺ”-এর ইন্তেকাল হতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য ফিতনা ও তার সংখ্যা সম্পর্কে অভিহিত করণ  (হাদীস ৬-১০) نعيم بن حماد - ٦ حدثنا رشدين بن سعد عن ابن لهيعة قال حدثني سلمان بن عامر عن أبي عثمان الأصبحي عن أبي هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا تقارب الزمان أناخ بكم الشرف الجون فتن كقطع الليل المظلم হাদিস - ৬ বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা رضي الله عنه  থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ  ﷺ  এরশাদ করেন, কিয়ামতের পূর্বে যখন যুগ পরস্পর নিকটে এসে যাবে তোমাদের কাছে কালো, বুড়ো ধরনের একটি উট এসে বসবে ফিতনার রূপ ধারণ করে। যেন মনে হবে সেটা অন্ধকারে ছেয়ে যাওয়া রাত্রের একটি টুকরা। نعيم بن حماد - ٧ حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن عروة بن الزبير عن كرز بن علقمة الخزاعي قال قال رجل لرسول الله صلى الله عليه وسلم هل للإسلام من منتهى قال نعم أيما أهل بيت من العرب أو العجم أراد الله بهم خيرا أدخل عليهم الإسلام قال ثم مه قال ثم تكون فتن كأنها الظلل فقال الرجل كلا والله إن شاء الله يا رسول الله فقال الله رسول بلى والذي نفسي بيده ثم لتعوذن فيها أساود صبا يضرب بعضك...

প্রকৃত বন্ধু বাছাই..

  অতি কাছের বন্ধুর থেকেও প্রতারণা কিংবা বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আসে অহরহ। যার সাথে অন্তরঙ্গতারও কমতি ছিল না। বন্ধুতের সময়কালটাও ছিল দীর্ঘ। কিন্তু তার কাছ থেকে পাওয়া গেল এমন ব্যবহার, যার আশা আপনি কল্পনায়ও করতেন না। আক্বা কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন– 'মানুষ তার বন্ধুর দ্বীন এবং চালচলনের ওপর হয়ে থাকে। অতএব এটা খুব জরুরি যে, তার দেখা উচিত সে কার সাথে বন্ধুত্ব রাখছে।' [১] স্পষ্ট বুঝা যায়, বন্ধুর চালচলন এর প্রভাব গভীরভাবে আপনার ওপর পরে। তাই বন্ধু নির্বাচনে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, যেনো এই সংস্পর্শ দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষতির সম্মুখীন না করে বসে। কিভাবে সঠিক বন্ধু বাছাই করবেন? ইসলাম এর কিছু প্যারামিটার দিয়েছে। আক্বা কারীম আলাইহিস সালাম বলেন– ভালো বন্ধুর উদাহরণ আতর বিক্রেতার মতো। হয়তো আপনি তার থেকে আতর কিনে নিবেন, না হয় সে এমনিতেই দিবে। আর তাও যদি না হয়, তার কাছ থেকে আপনি সুগন্ধটা কমপক্ষে পাবেন। আর মন্দ সাথীর উদাহরণ চুল্লী প্রজ্বলনকারীর মতো। সেখানে গেলে হয়তো, আপনার কাপড় জ্বালিয়ে দিবে না হয় দুর্গন্ধ পাবেন তার কাছ থেকে। [২] উত্তম বন্ধু কে? এই প্রসঙ্গে আক্বা কারীম ...

নবী করীম “ﷺ”-এর ইন্তেকাল হতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য ফিতনা ও তার সংখ্যা সম্পর্কে অভিহিত করণ | Al-Fitan-Nuaim bin Hammad-(Hadis 1- 5)

  নবী করীম “ﷺ”-এর ইন্তেকাল হতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য ফিতনা ও তার সংখ্যা সম্পর্কে অভিহিত করণ - (হাদীস ১-৫) نعيم بن حماد - ١ حدثنا نعيم بن حماد المروزي حدثنا عبد الله بن المبارك عن معمر عن علي بن زيد عن أبي نضرة عن أبي سعيد الخدري وابن عيينة عن علي بن زيد عن أبي نضرة عن أبي سعيد الخدري رضى الله عنه قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة العصر بنهار ثم خطب إلى أن غابت الشمس فلم يدع شيئا هو كائن إلى يوم القيامة إلا حدثنا به حفظه من حفظه ونسيه من نسيه হাদিস - ১ হযরত আবু সাঈদ খুদরী رضي الله عنه থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল ﷺ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত ভাষণ দিলেন। উক্ত ভাষণে কিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু ঘটবে তার সমস্ত কিছুই বর্ণনা করেন। তাঁর সেই ভাষণটি যারা ভুলে যাওয়ার তারা ভুলে গিয়েছে। نعيم بن حماد - ٢ حدثنا الحكم بن نافع عن سعيد بن سنان حدثنا أبو الزاهرية عن كثير بن مرة أبي شجرة عن ابن عمر رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله رفع لي الدنيا فأنا أنظر إليها وإلى ما هو كائن فيها إلى يوم القيامة كما أنظر إلى كفي هذه ج...

ইলমের ফযীলত- بابُ فَضْلِ الْعِلْمِ

ইলমের ফযীলত (241) بابُ فَضْلِ الْعِلْمِ وَعَن مُعَاوِيةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم «مَنْ يُرِدِ اللهُ بِهِ خَيْراً يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ». متفقٌ عَلَيْهِ আল্লাহ বলেন, ﴿ وَقُلْ رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا ﴾ (طه: ١١٤) অর্থাৎ বল, হে আমার প্রতিপালক! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি কর। (ত্বা-হা ১১৪ আয়াত) তিনি অন্যত্র বলেন, ﴿قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الَّذِينَ يَعْلَمُونَ وَالَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ ﴾ (الزمر: ٩) অর্থাৎ বল, যারা জানে এবং যারা জানে না তারা কি সমান? (যুমার ৯ আয়াত) আল্লাহ আরও বলেন, ﴿يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ ﴾ (المجادلة: ١١) অর্থাৎ যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে আল্লাহ তাদেরকে বহু মর্যাদায় উন্নত করবেন। (মুজাদালা ১১ আয়াত) তিনি অন্য জায়গায় বলেন, ﴿ إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ﴾ (فاطر: ٢٨) অর্থাৎ আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে জ্ঞানীরাই তাঁকে ভয় করে থাকে। (ফাত্বের ২৮ আয়াত) ১/১৩৮৪। মুআবিয়াহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল...

মায়ের পেটে থাকাকালে দুর্ভাগা হবে, না ভাগ্যবান-তাকদীর (كتاب القدر)

মায়ের পেটে থাকাকালে দুর্ভাগা হবে, না ভাগ্যবান-তাকদীর (كتاب القدر) سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ وَكَّلَ اللهُ بِالرَّحِمِ مَلَكًا فَيَقُولُ أَيْ رَبِّ نُطْفَةٌ أَيْ رَبِّ عَلَقَةٌ أَيْ رَبِّ مُضْغَةٌ فَإِذَا أَرَادَ اللهُ أَنْ يَقْضِيَ خَلْقَهَا قَالَ أَيْ رَبِّ أَذَكَرٌ أَمْ أُنْثَى أَشَقِيٌّ أَمْ سَعِيدٌ فَمَا الرِّزْقُ فَمَا الأَجَلُ فَيُكْتَبُ كَذَلِكَ فِي بَطْنِ أُمِّهِ ৬৫৯৫. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহ্ রেহেমে (মাতৃগর্ভে) একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, হে প্রতিপালক! এটি বীর্য। হে প্রতিপালক! এটি রক্তপিন্ড। হে প্রতিপালক! এটি গোশতপিন্ড। আল্লাহ্ যখন তার সৃষ্টি পূর্ণ করতে চান, তখন ফেরেশতা বলে, হে প্রতিপালক! এটি নর হবে, না নারী? এটি দুর্ভাগা হবে, না ভাগ্যবান? তার রিযক্ কী পরিমাণ হবে? তার জীবনকাল কী হবে? তখন (আল্লাহর নির্দেশমত) তার মায়ের পেটে থাকাকালে ঐ রকমই লিখে দেয়া হয়।  [৩১৮] (আ...

তাকদীর (كتاب القدر)

তাকদীর (كتاب القدر) أَبُو الْوَلِيدِ هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَنْبَأَنِي سُلَيْمَانُ الأَعْمَشُ قَالَ سَمِعْتُ زَيْدَ بْنَ وَهْبٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ حَدَّثَنَا رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ الصَّادِقُ الْمَصْدُوقُ قَالَ إِنَّ أَحَدَكُمْ يُجْمَعُ فِي بَطْنِ أُمِّهِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا ثُمَّ عَلَقَةً مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ يَكُونُ مُضْغَةً مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ يَبْعَثُ اللهُ مَلَكًا فَيُؤْمَرُ بِأَرْبَعٍ بِرِزْقِهِ وَأَجَلِهِ وَشَقِيٌّ أَوْ سَعِيدٌ فَوَاللهِ إِنَّ أَحَدَكُمْ أَوْ الرَّجُلَ يَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا غَيْرُ بَاعٍ أَوْ ذِرَاعٍ فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ فَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَيَدْخُلُهَا وَإِنَّ الرَّجُلَ لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا غَيْرُ ذِرَاعٍ أَوْ ذِرَاعَيْنِ فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ فَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ فَيَدْخُلُهَا قَالَ آدَمُ إِلاَّ ذِرَاعٌ ’আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (رضي الله عنه) হত...