Skip to main content

Posts

Showing posts from June, 2022

Featured Post

ওলামা মাশায়েখদের খাস মজলিস। শেখ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব (দাঃবাঃ)ভারত । ২০২৩। পুরাতন সাথীদের জোড় ২০২৩

ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশ্যে বয়ান আলামী শুরার আকাবীর হজরত মাওঃ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব দাঃবাঃ পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড়। দিয়াবাড়ী উত্তরা, ঢাকা।

সর্বপ্রকার বিপদাপদ হতে হেফাজতের কিছু আমল

হযরত আবু দারদা ( رضي   الله   عنه ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ “ ﷺ ” ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় এই দু‘আ পাঠ করবে সে সর্বপ্রকার বিপদাপদ থেকে নিরাপদ থাকবে।  (কানযুল উম্মাল, হাদীস: ৩৫৮৩) اَللّٰهُمَّ اَنْتَ رَبِّـيْ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّاۤ اَنْتَ' عَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ. وَاَنْتَ رَبُّ الْعَـرْشِ الْكَرِيْمِ. مَا شَآءَ اللهُ كَانَ وَمَا لَـــمْ يَشَاْ لَـمْ يَكُنْ. وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيْمِ. اَعْلَمُ اَنَّ اللهَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ. وَاَنَّ اللهَ اَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا. اَللّٰهُمَّ اِنِّـيْ اَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ وَمِنْ شَرِّ كُلِّ دَآبَّةٍ اَنْتَ اٰخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا اِنَّ رَبِّـيْ عَلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ. অর্থ: হে আল্লাহ! তুমিই আমার রব। তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। একমাত্র তোমার উপরই ভরসা করছি। তুমিই মহান আরশের অধিপতি। আল্লাহ যা চান তাই হয়ে যায়, আর যা চান না তা হয় না। অসৎ কাজ থেকে বেঁচে থাকার এবং সৎ কাজ করার কারো ক্ষমতা নেই সুমহান সুউচ্চ আল্লাহ তা‘আলার সাহায্য ছাড়া। আমি বিশ্বাস করি যে, আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ...

মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর বানানো দু‘আ- মুনাজাতে মকবুল । রবিবার -Munajat E Maqbool - Sunday

আমাদের প্রাণের চেয়ে প্রিয় #নবী_করীম (#সাল্লাল্লাহু_আলাইহি_ওয়াসাল্লাম) থেকে বাতলানো দোয়া র ভান্ডার থেকে কিছু দোয়া- (আরবী ও বাংলা‌য় দিলাম) যাদের আরবী পড়তে কষ্ট হয় তা‌রা বাংলা‌য় পড়বেন। . رَبِّ اَعِنِّيْ وَلَا تُعِنْ عَلَيَّ * وَانْصُرْنِيْ وَلَا تَنْصُرْ عَلَيَّ * وَامْكُرْ لِيْ وَلَا تَمْكُرْ عَلَيَّ * وَاهْدِنِيْ وَيَسِّرِ الْهُدٰى لِيْ *وَانْصُرْنِيْ عَلٰی مَنْ بَغٰی عَلَيَّ * رَبِّ اجْعَلْنِيْ لَكَ ذَكَّارًا * لَّكَ شَكَّارًا * لَّكَ رَهَّابًا * لَّكَ مِطْوَاعًا * لَّكَ مُطِيْعًا * اِلَيْكَ مُخْبِطًا اِلَيْكَ اَوَّاهًا مُّنِيْبًا * رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِيْ * وَاغْسِلْ حَوْبَتِيْ وَاَجِبْ دَعْوَتِيْ * وَثَبِّتْ حُجَّتِيْ * وَسَدِّدْ لِسَانِيْ * وَاهْدِ قَلْبِيْ * وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ صَدْرِيْ * ٥٠. اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَنَا * وَارْحَمْنَا * وَارْضَ عَنَّا * وَاَدْخِلْنَا الْجَنَّةَ * وَنَجِّنَا مِنَ النَّارِ * وَاَصْلِحْ لَنَا شَاْنَنَا كُلَّهٗ * ٥١. اَللّٰهُمَّ اَلِّفْ بَيْنَ قُلُوْبِنَا * وَاَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِنَا * وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ * وَنَجِّنَا مِنَ الظُّل...

মুনাজাতের শুরুতে পড়ার জন্য কিছু হামদ ও সালাত

মহান রব্বুল ‘আলামীন বান্দার প্রতি অত্যন্ত মেহেরবান। বান্দার জন্য তাঁর রহমতের দ্বার সর্বদা উন্মুক্ত। তাঁর কাছে চাইলে তিনি খুশি হন, না চাইলে অসন্তুষ্ট হন। তাই তিনি নিজেই বান্দাকে শিখিয়েছেন যে, সে আল্লাহর কাছে কী চাবে, কীভাবে চাবে, কোন ভাষা ব্যবহার করবে? যার বিস্তারিত বিবরণ পবিত্র কুরআন ও হাদীসে রয়েছে। তা থেকে নির্বাচিত কিছু দু‘আ এখানে উল্লেখ করা হল। দু‘আর শুরুতে যেহেতু হামদ (আল্লাহর প্রশংসা) ও সালাত (দুরূদ শরীফ) থাকা সুন্নাত তাই নমুনা স্বরূপ কয়েকটি হামদ ও সালাত উল্লেখ করা হল। হামদ-১ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ. وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى سَيِّدِ الْمُرْسَلِيْنَ وَعَلٰى اٰلِه وَصَحْبِه اَجْمَعِيْنَ অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহ পাকের জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক এবং রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক রাসূলগণের সর্দারের উপর এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাথীগণের উপর। হামদ-২ سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِه سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيْمِ অর্থ: আল্লাহর প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করছি। মহান আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৭৫৬৩) ফায়দা: উপরোক্ত কালিমা দু ‘ টি যবানে উচ্চ...

মুনাজাতের সুন্নাত ও আদবসমূহ

  ১। আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা ও রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দুরূদের মাধ্যমে দু‘আ শুরু করা। যেমন: এভাবে দু‘আ শুরু করা- اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ. وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى اٰ لِه وَصَحْبِه اَجْمَعِيْنَ. অর্থ: সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক মহান আল্লাহর জন্য এবং রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর পরিবারবর্গ এবং সকল সাথীবর্গের উপর।  এ হলো হামদ (প্রশংসা) ও সালাতের (দুরূদের) সংক্ষিপ্ত বাক্য। আরো বিস্তারিত ও অনেক ফজীলতপূর্ণ হামদ ও সালাত রয়েছে। যখন সময় বেশি থাকে তখন সেগুলো পড়া উত্তম হবে। হযরত ফাজালা ইবনে উবায়দ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন বসা ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে নামায পড়ে দু‘আ করতে লাগল। হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করো। আমার প্রতি দয়া করো। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, হে মুসল্লী! তুমি তাড়াহুড়া করেছ। তুমি যখন নামায পড়ে বসবে তখন প্রথমে আল্লাহ তা‘আলার যথোপযুক্ত প্রশংসা করবে অতঃপর আমার প্রতি দুরূদ পড়বে তারপর দ...

আকাশকে খুলে দেওয়া হবে — আন-নাবা ১৭-৩০ । Akash Khule dea hobe-an naba 17-30

  চৌধুরী সাহেব স্বপরিবারে সমুদ্রের পাড়ে বেড়াতে এসেছেন। পাড়ে বসে তারা সমুদ্র উপভোগ করছিলেন, কিন্তু তার শিশু বাচ্চাটি এখন ক্ষুধায় কান্না শুরু করেছে। স্ত্রীকে নিয়ে উঠলেন নিরিবিলি একটা জায়গা খুঁজে বের করতে। তারা হেঁটে যাচ্ছিলেন, আর তখন এক ভীষণ শব্দে কানে তালা লেগে গেলো। তারপর পায়ের নিচে মাটি ভীষণ জোরে ঝাঁকুনি দিলো। তিনি দূরে ছিটকে পড়ে গেলেন। উপরে তাকিয়ে দেখলেন আকাশটা যেন গোলাপের মত লাল হয়ে আছে। মনে হচ্ছে, আকাশটাকে পৃথিবীর উপর থেকে ছিঁড়ে তুলে ফেলা হয়েছে। মহাকাশ খালি চোখে দেখা যাচ্ছে। আর পুরো মহাকাশে অজস্র ফাটল তৈরি হচ্ছে। তারাগুলো একে একে ঝরে যাচ্ছে। সূর্যকে কালো একটা কী যেন ঘিরে ফেলছে। দিনের বেলাতেও রাতের মত অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। চাঁদের শেষ আলোটুকুও একসময় নিভে গেলো। সৈকতে যারা ছিল সবাই দিগ্বিদিক জ্ঞান শূন্য হয়ে একেক দিকে দৌড়াচ্ছে। এমনকি তার স্ত্রীও বাচ্চা ফেলে আতংকে দৌড়াচ্ছেন। তিনি হতবিহ্বল হয়ে ছুটছেন। কোন দিকে যাবেন কিছুই জানেন না। সামনে একটা পাহাড় দেখে সেদিকে দৌড় দিলেন, যদি উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেওয়া যায়। কিন্তু তিনি পৌঁছানোর আগেই এক ভীষণ ঝাপটা এসে পাহাড়টাকে গুড়ো-গুড়ো করে ...

মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর বানানো দু‘আ- মুনাজাতে মকবুল । সোমবার -Munajat E Maqbool Monday

  আমাদের প্রাণের চেয়ে প্রিয় #নবী_করীম (#সাল্লাল্লাহু_আলাইহি_ওয়াসাল্লাম) থেকে বাতলানো দোয়া র ভান্ডার থেকে কিছু দোয়া- (আরবী ও বাংলা‌য় দিলাম) যাদের আরবী পড়তে কষ্ট হয় তা‌রা বাংলা‌য় পড়বেন। ٨٣. اَللّٰهُمَ اجْعَلْنِيْ صَبُوْرًا وَّ اجْعَلْنِيْ شَكُوْرًا * وَاجْعَلْنِيْ فِيْ عَيْنِيْ صَغِيْرًا وَّفِيْۤ اَعْيُنِ النَّاسِ كَبِيْرًا. ٨٤. اَللّٰهُمَّ ضَعْ فِيْۤ اَرْضِنَا بَرَكَتَهَا وَزِيْنَتَهَا وَسَكَنَهَا * وَلَا تَحْرِمْنِيْ بَرَكَة َ مَاۤ اَعْطَيْتَنِيْ * وَلَا تَفْتِنِّيْ فِيْمَاۤ اَحْرَمْتَنِيْ. ٨٥. اَللّٰهُمَّ اَحْسَنْتَ خَلْقِيْ فَاَحْسِنْ خُلُقِيْ * ٨٦. وَاَذْهِبْ غَيْظَ قَلْبِيْ * وَاَجِرْنِيْ مِنْ مُضِلَّاتِ الْفِتَنِ مَاۤ اَحْيَيْتَنَا. ٨٧. اَللّٰهُمَّ لَقِّنِّيْ حُجَّةَ الْاِيْمَانِ عِنْدَ الْمَمَاتِ . ٨٨. رَبِّ اَسْئَلُكَ خَيْرَ مَا فِيْ هٰذَا الْيَوْمِ وَخَيْرَ مَا بَعْدَهٗ. اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْئَلُكَ خَيْرَ هٰذَا الْيَوْمِ وَفَتْحَهٗ وَنَصْرَهٗ وَنُوْرَهٗ وَبَرَكَتَهٗ وَهُدَاهٗ . ٨٩. اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْئَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِيْ د...

দাওয়াত ও তাবলীগের সংকটের নেপথ্যে-মাওলানা সাদ সাহেবের দলীলবিহীন গায়বী কথা বলা ও বিদআত আবিষ্কার করা

মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব (দাঃবাঃ) ।। আপনারা জানেন, দ্বীনের বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলতে হলে দলীলভিত্তিক বলতে হয়। আন্দাযে কথা বলা, ধারণাভিত্তিক কথা বলা, অনুমান করে কথা বলা জায়েয নেই। গায়বী কথা, যেটা জানার সূত্র হল একমাত্র অহী। আল্লাহ তাআলা নবীদেরকে অহীর মাধ্যমে অনেক গায়বী কথা জানিয়েছেন। এখন তো অহী বাকি নেই। তাহলে এখন যদি গায়বী কথা বলে, সেটা অনুমান ভিত্তিক হবে না? মাওলানা সা‘দ সাহেবের বড় এক মসীবত হল গায়বী কথা বলা, গায়বী কথা মানেই তো দলীলবিহীন কথা। গায়বী কথা মানেই তো যার কোনো দলীল নেই। যে গায়বী বিষয়গুলোর আলোচনা কুরআন-হাদীসে এসে গেছে সেগুলো তো কুরআন-হাদীসে আছেই এবং সেগুলো অহীর মাধ্যমে এসেছে। কিন্তু এর বাইরে তিনি অনেক গায়বী এবং আন্দাযে কথা বলেন। এটা ছোট ভুল না বড় ভুল? বড় ভুল। এটা কি সগীরা গোনাহ না কবীরা গোনাহ? কবীরা গোনাহ। মাওলানা সা‘দ সাহেবের বড় মসীবত এবং একটি বড় ভুল হল এই গায়বী কথা বলা। ২. মাওলানা সা‘দ সাহেবের আরেকটি বড় ভুল হল, তিনি #দলীল_পরিপন্থী এমন অনেক #গলত_মাসআলা এবং #গলত_মতবাদ_আবিষ্কার করতে থাকেন, কোনো সাহাবী, কোনো তাবিয়ী এবং কোনো মুজতাহিদ এমন কথা বলেননি; বরং তা সম্পূর্ণ তার নিজের আবি...