ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশ্যে বয়ান আলামী শুরার আকাবীর হজরত মাওঃ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব দাঃবাঃ পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড়। দিয়াবাড়ী উত্তরা, ঢাকা।
মালহামা- হক্ব বাতেলের চুরান্ত সংঘাত। বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছ সর্বশেষ ধর্মযুদ্ধের দিকে-ডঃ ইসরার আহাম্মদ(রহঃ)
#MALHAMA_The_Last_Crusade
https://bn.wikipedia.org/s/iykd
আরবিতে মালহামা (বহুবচন মালাইম ) হলো ব্যপক নৃশংসতা ও হত্যার ভয়াবহ একটি যুদ্ধকে বোঝায়, এই ধরনের যুদ্ধ, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বা গণহত্যার মতো একই ধরনের যুদ্ধ হয়ে থাকে। বহুবচন রূপে মালহিম শব্দটি এপোক্যাল্যাপটিক বা যুদ্ধ এবং যুদ্ধের ভবিষ্যদ্বাণী সম্পর্কিত হাদীসের বর্ণনার একটি পৃথক ধারা বোঝাতে ব্যবহার হতো। --- আখেরী জামানায় ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এতটাই ভয়াবহ হবে যে, ইসলাম অনুসারে জীবনাচরন করা হবে যেন কেউ তার হাতে জ্বলন্ত কয়লা ধারন করেছে। আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন মানুষের এমন এক যামানা আসবে যে যামানায় দীনের উপর সুদৃঢ় ব্যক্তির অবস্থা হবে জ্বলন্ত অংগার মুষ্টিতে ধারণকারী ব্যক্তির মত (তিরমিযি, ২২৬৩, ই.ফা)। গুহায় অবস্থানকারী যুবকদের ঘটনা বর্তমান সময় ও সবশেষে ইসলামের বিজয়ের ইংগিতবাহী (আয়াত ১৩-২০)। এই শেষ সময়ের মানুষের মধ্যে প্রতি হাজারে ৯৯৯ জন হবে ইয়াজুজ-মাজুজ (সহীহ বুখারি হাদিস নং- ৬৫৩০) তবে এই ঈমানহীন দুনিয়ায় সংশ্রব ত্যাগ করাটা সকলের দ্বারা সমালোচিত, নিন্দিত ও প্রত্যাখ্যাত হবে, এমনকি মূর্খ মুসলিম জনতাও এর অংশীদার হবে। মুসলিমদের আত্মসচেতন করারও এই #MALHAMA_মালহামা সম্পর্কিত বয়ানের অন্যতম উদ্দেশ্যে। আমরা বিশ্বাস করি যে একমাত্র কুরআন পারে বর্তমান সময়ের বাস্তবতা উপলব্ধি করতে। আল্লাহ তায়ালা এ বিষয়ে বলেছেন,
وَيَوْمَ نَبْعَثُ فِي كُلِّ أُمَّةٍ شَهِيدًا عَلَيْهِم مِّنْ أَنفُسِهِمْ ۖ وَجِئْنَا بِكَ شَهِيدًا عَلَىٰ هَـٰؤُلَاءِ ۚ وَنَزَّلْنَا عَلَيْكَ الْكِتَابَ تِبْيَانًا لِّكُلِّ شَيْءٍ وَهُدًى وَرَحْمَةً وَبُشْرَىٰ لِلْمُسْلِمِينَ
সেই দিন আমি উত্থিত করিব প্রত্যেক সম্প্রদায়ে তাহাদেরই মধ্য হইতে তাহাদের বিষয়ে এক একজন সাক্ষী এবং তোমাকে আমি আনিব সাক্ষীরূপে ইহাদের বিষয়ে। আমি আত্মসমর্পণকারীদের জন্য প্রত্যেক বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যাস্বরূপ, পথনির্দেশ, দয়া ও সুসংবাদস্বরূপ তোমার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ করিলাম। (সূরা নাহল ১৬: ৮৯)
আমরা আরো বিশ্বাস করি যে, সূরা কাহাফ হল সেই সূরা যা বর্তমান সময়ের দাজ্জাল সৃষ্ট রহস্য উন্মোচন করে আল্লাহর বান্দাদের দিতে পারে সঠিক পথের দিশা। মুহাম্মদ ﷺ বলেছেন, “যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্ত করবে তাকে দাজ্জালের ফিতনা হতে রক্ষা করা হবে” (মুসনাদে আহমদ, ১৯৬)
অপর বর্ণনায় রয়েছে, “যে ব্যক্তি জুমআর দিনে সুরা কাহাফ তেলওয়াত করবে তার জন্য দুই জুমআর মধ্যবর্তী সময় আলোকিত হয়ে থাকে”। (মুসতাদারাকে হাকিম ২/৩৬৮) বই-৫:
বর্তমান বিশ্বে আখেরী জামানার আলামত যখন আখেরী জামানা আসবে, তখন কঠিন পরীক্ষা বা ফেতনার সম্মুখীন হতে হবে। মানব জাতির প্রায় সবাই এই পরিক্ষায় ব্যর্থ হবে। যারা ব্যর্থ হবে তারা । খুব অল্প সংখক মানুষ এই পরিক্ষায় সফল হবে। যারা ব্যর্থ হবে তারা জাহান্নামে যাবে।
কিন্তু আল্লাহ’র রাসূল ﷺ বলেছেন, কিছু আলামত ঘটবে যা থেকে প্রতীয়মান হবে যে, আপনারা আখেরী জামানায় বাস করেছেন।
আমাদের সম্পর্কে যানতে ...
ফলো করুন লিংক গুলিতে ক্লিক করে।
https://www.facebook.com/AlorPothKG
https://twitter.com/alorpoth16
https://alora-path.blogspot.com/
https://www.instagram.com/alorpothkg/
https://www.pinterest.com/alorpothkginfo/
Comments
Post a Comment