Skip to main content

Posts

Featured Post

ওলামা মাশায়েখদের খাস মজলিস। শেখ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব (দাঃবাঃ)ভারত । ২০২৩। পুরাতন সাথীদের জোড় ২০২৩

ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশ্যে বয়ান আলামী শুরার আকাবীর হজরত মাওঃ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব দাঃবাঃ পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড়। দিয়াবাড়ী উত্তরা, ঢাকা।

যেভাবে তাবলিগের কাজ শুরু করেন হযরতজী ইলিয়াস কান্ধলবী (رحمة الله عليه)

ইসলাম নামক সূর্য ফারান পর্বতের চূড়া হতে উদ্ভাসিত হয়ে হেযাযভূমি আলোকিত করে। দেখতে দেখতে তার আলোকরশ্মি এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। মুসলিম শাসকদের শাসন অর্ধপৃথিবীর ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু বিত্তবৈভবের লোভ এবং প্রভাব-প্রতিপত্তির আকাঙ্ক্ষা মুসলমানের দাওয়াত ও তাবলিগের মূল মিশনকে ভুলিয়ে দেয়। সূফীদের তরবিয়াত খানকায়ে এবং মাদরাসার পঠন-পাঠন চার দেয়ালে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। আর ভারত উপমহাদেশের অবস্থা এর বিপরীত ছিল না। ঠিক এমন সময়ে বিংশ শতাব্দীতে হিন্দুস্তানে এমন এক মহান মনীষীর আগমন ঘটে; যিনি যুগের স্রোতকে ঘুরিয়ে দেন এবং বাতাসের গতিবেগ রুখে দেন। তিনি এমন এক জামাতের সূচনা করেন, যে জামাতের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে কোটিরও বেশি মুসলিম বিশ্বের ১৫০টিরও অধিক দেশে নিজে ব্যয়ভার বহন করে আল্লাহর দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছানো এবং এক মুসলিমকে প্রকৃত মুসলিম তৈরিতে নিবৃত্ত রয়েছেন। ইসলামী ইতিহাসে এর দৃষ্টান্ত সুদীর্ঘ এক হাজার বছরে দেখা যায় না। কোটি কোটি মুসলমানের জীবনে এই জামাত বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করেছে। বিশ্ববাসীর কাছে এই মিশন ‘তাবলিগ জামাত’ নামে পরিচিত। আর এই মহান জামাতের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মাওলানা ইলিয়াস কান্ধলব...

মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর বানানো দু‘আ- মুনাজাতে মকবুল । শনিবার -Munajat E Maqbool – Saturday

আমাদের প্রাণের চেয়ে প্রিয় #নবী_করীম ( ﷺ ) থেকে বাতলানো দোয়া র ভান্ডার থেকে কিছু দোয়া- (আরবী ও বাংলা‌য় দিলাম) যাদের আরবী পড়তে কষ্ট হয় তা‌রা বাংলা‌য় পড়বেন। ١ رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنْیَا حَسَنَۃً وَّ فِی الْاٰخِرَۃِ حَسَنَۃً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ (۲۰۱) ٢ رَبَّنَا اَفْرِغْ عَلَیْنَا صَبْرًا وَّثَبِّتْ اَقْدَامَنَا وَانْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْکٰفِرِیْنَ (۲۵۰)ؕ ٣ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَاۤ اِنْ نَّسِیْنَاۤ اَوْ اَخْطَاْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَیْنَا اِصْرًا کَمَا حَمَلْتَهٗ عَلَی الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَۃَ لَنَا بِهٖ ۚ وَاعْفُ عَنَّا * وَاغْفِرْ لَنَا * وَارْحَمْنَا * اَ نْتَ مَوْلٰىنَا فَانْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْکٰفِرِیْنَ (۲۸۶) ٤ رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ اِذْ هَدَیْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنْکَ رَحْمَۃً ۚ اِنَّکَ اَ نْتَ الْوَهَّابُ (۸) ٥ رَبَّنَاۤ اِنَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ (ۚ۱۶) ٦ رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هٰذَا بَاطِلًا ۚ سُبْحٰنَکَ فَقِنَا ع...

প্রকৃত সফলকাম কারা (Who Are Real success)?

    وَلۡتَکُنۡ مِّنۡکُمۡ اُمَّۃٌ یَّدۡعُوۡنَ اِلَی الۡخَیۡرِ وَ یَاۡمُرُوۡنَ بِالۡمَعۡرُوۡفِ وَ یَنۡهَوۡنَ عَنِ الۡمُنۡکَرِ ؕ وَ اُولٰٓئِکَ هُمُ الۡمُفۡلِحُوۡنَ ﴿۱۰۴﴾ " এবং তোমাদের মধ্যে এমন একটি জামাত থাকা উচিত যারা মঙ্গলের দিকে আহ্বান করবে।অর্থাৎ সত্কাজের আদেশ করবে ও অসৎ কাজের নিষেধ করবে এবং তারাই প্রকৃত সফলকাম জামাত।"  ( ১০৪ আয়াত-সূরা আলে ইমরান-আল কোরআন )    আল্লাহপাক এই আয়াতে একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়ের নির্দেশ করেছেন।  তা এই যে , উম্মতের মধ্যে একটি বিশেষ জামাত থাকতে হবে। যারা লোকদেরকে ইসলামের দিকে দাওয়াত দিবে এবং দ্বীনের তাবলিগ করবে।  এই হুকুম ছিল মুসলিম জাতির জন্য।  কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয়, উক্ত নির্দেশকে আমরা পুরাপুরি অগ্রাহ্য করে চলছি।  আর বিধর্মীরা খুব শক্তভাবে তা আকড়ে ধরেছে। খ্রিস্টানদের  বিভিন্ন জামাত বিশ্বব্যাপী ধর্ম প্রচারে লিপ্ত রয়েছে।  কিন্তু মুসলমানদের কি এমন কোন জামাত আছে? এর উত্তরে নাই না বললেও আছে বলাটা খুবই দুস্কর।  যদি কোন দল বা ব্যক্তিবিশেষ এই কাজের জন্য তৈরী হয়, তবে সাহায্য সহযোগিতার পরিবর্তে চতু...

দাওয়াতের কাজের গুরত্ব সম্পর্কে ইমাম গাযালী রহমাতুল্লহ আ’লাইহি এর অভিমত

      এই কাজের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তাকে ইমাম গায্‌যালী রহমাতুল্লহ আ’লাইহি এইরূপে ব্যক্ত করিয়াছেনঃ ‘ইহাতে কোন সন্দেহ নাই যে, সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ দ্বীনের এমন এক শক্তিশালী স্তম্ভ যাহার সহিত দ্বীনের সমস্ত কাজ সম্পর্কযুক্ত। এই কাজকে আঞ্জাম দেয়ার জন্য আল্লহ তায়া’লা সমস্ত আম্বিয়া কেরাম আ’লাইহিমুস সালাম কে দুনিয়াতে পাঠাইয়াছেন। খোদা না করুন যদি এই কাজকে ছাড়িয়া দেয়া হয় এবং ইহার ইলম ও আমালকে পরিত্যাগ করা হয় তবে নাউযুবিল্লাহ নবুওয়াত বেকার সাব্যস্ত হইয়া যাইবে, অলসতা ব্যাপক হইয়া যাইবে, গোমরাহী ও পথভ্রষ্টতার প্রশস্ত রাস্তাসমূহ খুলিয়া যাইবে, সারা দুনিয়া অজ্ঞতায় ডুবিয়া যাইবে, সমস্ত কাজ কর্মে খারাবী আসিয়া যাইবে, পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও মতবিরোধ শুরু হইয়া যাইবে, সমাজ খারাপ হইয়া যাইবে, মাখলুক ধ্বংস ও বরবাদ হইয়া যাইবে। এই ধ্বংস ও বরবাদী তখন বুঝে আসিবে যখন হাশরের দিন খোদায়ে পাকের সামনে হাজির হইতে হইবে ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হইবে।’ আফসোস, শত আফসোস যে আশংকা ছিল, উহাই সামনে আসিয়া গেল, আর মনে যে খটকা ছিল উহাই চোখে দেখিতে হইল– আল্লহ তায়া’লার বিধান সুনির্ধারিত–ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহে রজিউন। সেই...

নিখিলের সেরা সুন্দর সৃষ্টি প্রিয় নবীজি (ﷺ )

প্রিয় নবী ﷺ কেমন ছিলেন, তা কোরআন হাদীসে স্পষ্ট বর্ণিত রয়েছে। এখানে যেমন নবী করীম ﷺ চরিত্র মাধুরির বর্ণনা পাওয়া যায়, তেমনি পাওয়া যায় তাঁর সুদর্শন চেহারা, দেহাবয়ব শরীফ ও আকৃতি মুবারকের বিশদ বর্ণনা। রবিউল আওয়ালের পবিত্র অবসরে এসবের বিশুদ্ধ বিবরণ দেওয়া সমীচীন মনে করি। আরবিতে এ সম্পর্কিত বর্ণনার নাম শামায়িল। সুরত। চরিতামৃত মুবারকের নাম সীরত। জীবনাদর্শকে বলা হয় সুন্নাহ বা সুন্নত। হুযুর আকরাম (ﷺ) এর নাসিকা মোবারক এত নূরানি এবং উজ্জ্বল ছিল যে, কোনো দর্শক ভালোভাবে খেয়াল করে না দেখলে সাধারণত এরকমই দেখতে পেত যে, তাঁর ﷺ নাসিকা মোবারক উন্নত; কিন্তু আসলে তা অতিরিক্ত উঁচু বা উন্নত ছিল না, বরং নূরের তাজাল্লির ফলে এরকম উঁচু মনে হতো। অধিকন্তু এ দৃশ্যমান উচ্চতার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব, মর্যাদা ও পরম নেকবখতির দ্যুতি পরিস্ফুটিত হতো। হুযুর আকরাম (ﷺ) এর মুখ মোবারক সম্পর্কে হযরত জাবির রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে সহীহ মুসলিমে এরূপ বর্ণনা এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রশস্ত মুখগহ্বরের অধিকারী ছিলেন। এরকম বর্ণনা শামায়েলে তিরমিযীতে হযরত ইবনে আবি হালা  (رضي الله عنها)  কর্তৃক বর্ণিত হাদীস শ...

মাস'আলা/মাসায়েল । আজকের বিষয়ঃ কার উপর কুরবানী ওয়াজিব -পর্ব:০১

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيم 🗓 ১১ই যিলকদ-১৪৪৩হিজরী রোজ:সোমবার🗓 চলছে আসন্ন পবিত্র  ঈদুল আযহার (মাস'আলা/মাসায়েল সংক্রান্ত) উপহার বার্তা:           ✍🏻আজকের বিষয় ✍🏻 📚কার উপর কুরবানী ওয়াজিব:📚 মাস'আলা:০১) প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ যিলহজ্ব ফজর থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কুরবানীর নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য। আর নিসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি, টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্ত্তর ক্ষেত্রে নিসাব হল এর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্ত্ত মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ...

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মর্যাদা রক্ষায় জীবন উৎসর্গকারী এক বীর ! #গাজি_ইলমুদ্দীন Ghazi IlmuDin Shahee رحمة الله عليه

#গাজি_ইলমুদ্দীন رحمة الله عليه রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মর্যাদা রক্ষায় জীবন উৎসর্গকারী এক বীর ! ১৯২০ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ায় রাসুলুল্লাহ (সা)কে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে একটা বই লেখা হয়। নাম ‘রঙিলা রাসুল’। পন্ডিত চম্পুতি লাল ছদ্মনামে প্রসাদ প্রতাপ নামে এক ব্যাক্তি বইটি রচনা করে। ১৯২৩ সালে মহেষ রাজপাল নামে লাহোরের এক হিন্দু প্রকাশক লেখকের নাম গোপন করে বইটি প্রকাশের দায়িত্ব নেন। বইটি প্রকাশিত হলে মুসলমানদের ভেতর ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পরে। বিপুল বিক্ষোভের মুখে লাহোর সেশন কোর্টে মামলা উঠে। কোর্ট তাকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেয়। পুরো ঘটনায় উপমহাদেশে মুসলমানরা প্রচন্ড আহত এবং ক্ষুব্ধ হয়। সর্বত্র বিক্ষোভ ছড়িয়ে পরে। সবাই রাজপালের ফাঁসি দাবি করছিলো। সেসম একজন কাঠমিস্ত্রীর তরুণ পুত্র ইলমুদ্দিন একটা সমাবেশের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি এক মাওলানার জ্বালাময়ী ভাষন শুনে উদ্দিপ্ত হয়ে উঠেন এবং এই অপরাধের প্রতিকারের শপথ নেন। ৬ সেপ্টেম্বর ১৯২৯ সালে বাজারে গিয়ে এক রুপি দিয়ে একটা ছুড়ি কিনেন। ছুড়িটা কাপড়ে লুকিয়ে রেখে রাজপালের দোকানের বিপরীতে গাজি ইলমুদ্দিন দাঁড়িয়ে থাকেন। তিনি রাজপালকে চিনতেন না তা...