Skip to main content

Featured Post

ওলামা মাশায়েখদের খাস মজলিস। শেখ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব (দাঃবাঃ)ভারত । ২০২৩। পুরাতন সাথীদের জোড় ২০২৩

ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশ্যে বয়ান আলামী শুরার আকাবীর হজরত মাওঃ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব দাঃবাঃ পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড়। দিয়াবাড়ী উত্তরা, ঢাকা।

মুনতাখাব হাদিস’ ও একটি কুৎসিত ইতিহাস

 


 এ ন্যাক্কারজনক ইতিহাস নিজ গ্রন্থে তুলে ধরেছেন মাওলানা সাইয়্যেদ মুহাম্মদ শাহেদ সাহারানপুরি।

তাঁর পরিচয় জানেন?

তিনি হলেন,

* শায়খুল হাদিস মাওলানা মুহাম্মদ যাকারিয়া রহ. এর  নাতি ও খলিফা।

* তৃতীয় হযরতজি মাওলানা মুহাম্মদ ইনআমুল হাসান রহ. এর মেয়ের জামাতা।

* ভারতের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ দ্বীনি মাদরাসা জামিয়া মাযাহিরুল উলূম সাহারানপুরের জেনারেল সেক্রেটারি।

তিনি

 أحوال وآثار مولانا محمد زبير الحسن كاندهلوي رح 

গ্রন্থের ৪৬৪-৪৬৭ নং পৃষ্ঠায় সেই ইতিহাস তুলে ধরেছেন।

বইটি ছেপেছে সাহারানপুরের সবচেয়ে স্বনামধন্য প্রকাশনী MAKTABA YADGAR-E-SHAIKH। 

আমি বইয়ের প্রচ্ছদ, ব্যাককভার ও আলোচিত পৃষ্ঠাগুলোর ছবি পোস্টের সঙ্গে যুক্ত করে দিচ্ছি।

আমি আমার পক্ষ থেকে একটি শব্দও বাড়াচ্ছি না। হবহু সেখান থেকে তুলে ধরছি। 

মাওলানা শাহেদ সাহারানপুরি হাফিযাহুল্লাহ লিখেছেন,

“মাওলানা মুহাম্মদ বিলাল করাচি। 

তিনি প্রথম দিকে শ্রদ্ধায় বিগলিত হয়ে বা নিজের সরলতার কারণে পরিস্থিতির গভীরে না গিয়ে মুনতাখাব আহাদিস কিতাবের মুদ্রণ ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু যখনই এর ক্ষতি ও পর্দার আড়ালের পরিকল্পনা তার সামনে চলে আসে তখন তিনি তৎক্ষণাৎ একটি ‘ক্ষমাপ্রার্থনামূলক চিঠি’ লিখে দাওয়াতের সাথীদের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করেন।

তার লেখা সেই রুজুনামা হোয়াটস-অ্যাপের মাধ্যমে সারা দুনিয়াতে ভাইরাল হয়ে গেছে। 

সেখান থেকে নকল করা হচ্ছে-

(সরল বাংলা এ দেয়া হলো এবং নিচে মূল ঊর্দূতেও দেয়া হলো।)

‘মৌলভি সাদ কান্ধলভি সাহেবের পৃষ্ঠপোষকতায়, তার ইঙ্গিতে আমি অনেকগুলো ভুল কাজ করেছি। এগুলোর মধ্য হতে অন্যতম একটি ভুল হলো, ‘মুনতাখাব আহাদিস’ কিতাবের সংকলন ও বিন্যাসদানের জন্যে আলেমদের যেই জামাত গঠন করা হয়েছিল, আমি তাদের সঙ্গ দিয়েছিলাম। 

মৌলভি সাদ ২০০০ সালে রায়ভেন্ড মারকাযে না এসে দিল্লি থেকে সরাসরি করাচিতে চলে আসে। যার কারণে হাজি আবদুল ওয়াহাব সাহেব অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যে, ‘তার প্রথমে রায়ভেন্ড এসে মাশওয়ারা করে কাজ করা দরকার ছিল।’ আমি ওই সময় হাজি সাহেবের অসন্তোষের কারণ বুঝতে পারিনি।

যখন মুনতাখাব আহাদিসের অনুবাদ সম্পন্ন হয় তখন এ প্রশ্ন উঠে যে, এই কিতাবের সংকলক হিসেবে উলামায়ে কেরামের সেই জামাতের কথা ছাপা হোক, যারা এর অনুবাদের গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। কেননা এটাই তো বাস্তব। কিন্তু প্রচণ্ড রকমের হতবাক হলাম যখন মৌলভি সাদ সাহেবের সামনে এ প্রস্তাব পেশ করা হয় তখন তিনি ভীষণ অসন্তুষ্ট হন এবং বলেন, এই কিতাবটি আমার দিকেই সম্বন্ধিত হবে। (অনুবাদের) লেখক ও সংকলক হিসেবে আমার নামই আসবে। লেখালেখির জগতে এটি কত বড় অসততা, তা আপনারাই অনুমান করে নিন।

তখন আমরা হাজি সাহেবের অসন্তুষ্টির কারণ জানতে পারি। বুঝতে পারি, আসলেই তিনি কতটা দূরদর্শী!

এখানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা তুলে ধরা সঙ্গত মনে করছি। তা হলো, হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ সাহেব রহ. ছয় নম্বর সম্পর্কিত যেই হাদিসগুলো একত্র করেছিলেন, সেগুলো খুবই অল্প ছিল। অধিকাংশ হাদিস উলামায়ে কেরামের এই জামাত অন্তর্ভুক্ত করে ছয় নম্বর মুকাম্মাল (সম্পূর্ণ) করে। কাজেই এই কিতাবটির সংকলক হিসেবে যেভাবে হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ সাহেব রহ.-এর নাম বলা হচ্ছে, সেটাও একটি পরিষ্কার মিথ্যা। আফসোস, আমরা ওই সময় বুঝতে পারিনি যে, আমরা উম্মতকে কত বড় ফেতনায় ফেলতে যাচ্ছি! আমাদের চোখ তখন খোলে যখন হাজি সাহেব এই কিতাবকে আমাদের ইজতিমায়ি তালিমে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবের ওপর পুরোপুরি অসম্মতি ব্যক্ত করেন। আসলেই তিনি গভীর দূরদর্শী মনীষা। উম্মতকে এই ফেতনা থেকে বাঁচিয়ে নিয়েছেন।

একটি গুরুত্বপূর্ণ বংশের উত্তরাধিকারী হয়েও মৌলভি সাদ সাহেব আমানত ও হিফাযতের ক্ষেত্রে এত বড় অসততার পরিচয় দিলেন যে, তিনি ‘মুনতাখাব আহাদিস’ এর আরবি সংকলনের ঘরেও নিজের নাম বসিয়ে দিলেন। খ্যাতির এ পরিমাণ ক্ষুধা! তাওবা, তাওবা। আসতাগফিরুল্লাহ। 

মৌলভি সাদ সাহেবকে কেউ জিজ্ঞেস করুন, ‘মুনতাখাব আহাদিস কিতাবটি তো পাকিস্তানের সংকলন ও গ্রন্থায়ন এবং সেটি সর্বপ্রথম পাকিস্তানেই প্রকাশিত হয়। আপনি কেন সেই কিতাবকে ফাযায়েলে আমলের বিরুদ্ধে পূর্ণ শক্তি ব্যয় করে চালাতে চাচ্ছেন? আপনি কেন হযরত হাজি সাহেবের সিদ্ধান্ত মানতে প্রস্তুত নন? উল্টো কেন তার বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ করতে উদ্বুদ্ধ হলেন? 

বর্তমান সময়ে মুনতাখাব আহাদিস কিতাব সারা পৃথিবীতে ঝগড়া, মতভিন্নতা ও ফেতনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন আমরা সবাই অনুতাপ-অনুশোচনা করছি যে, কেন আমরা তার প্রতারণা ও মিথ্যা কথা মেনে এই কিতাব সংকলন করতে গেলাম! আল্লাহ মেহেরবান আমাদের এই ত্রুটি মাফ করুন। এ ধরনের কাজ লেখালেখির জগতে অবশ্যই অনেক বড় অসততা।

সবাইকে সালাম।

-বান্দা মুহাম্মদ বিলাল করাচি

بندہ نے مولوى محمد سعد كاندہلوى كى حمايت ميں ان كے اشارے پر جہاں بہت سارى غلطياں كى ہيں ان كيں سے ايك غلطى يہ كى ہے كہ "منتخب احاديث" كى تصنيف وترتيب كے ليے علماء كى جو جماعت تھى اس كا مكمل ساتھ ديا۔

مولوى صاحب 2000  ميں بجائے مركز رائيونڈ آنے كے ديلى سے سيدھے كراچى آئے تھے ۔ جس پر حاجى عبد الوہاب صاحب نے ناراضگى كا اظہار كيا ان كو پہلے رائيونڈ آكر مشوره سے كام  كرنا چاہئے تھا بندہ اس وقت حاجى صاحب كى ناراضگى كى وجہ نہ سمجھ سكا تھا ۔

جب احاديث كا ترجمہ مكمل ہو گيا تو يہ مسئلہ آيا كے كتاب كى نسبتِ تصنيف علماء كى اس جماعت كى طرف ہوجائے جنہوں نے ترجمہ كيا جو ايك حقيقت تھى، مگر حيرت اس وقت ہوئى جب مولوى سعد كے سامنے يہ تجويز پيش ہوئى تو سخت ناراض ہوئے اور كہا كہ اس كى نسبت ميرى طرف رہے گى اور مصنف و مرتب كى حيثيت سے ميرا ہى نام رہے گا ۔ تصنف كى لائن سے يہ كتنى بڑى خيانت  ہے اس اندازه كيا جاسكتا ہے ۔

اب حاجى صاحب كى ناراضگى كى وجہ معلوم وئى اور اندازه ہوا كہ وه كتنے دور انديش ہيں ۔

ايك اہم  بات يہ عرض كرنى ہے كہ حضرت مولانا محمد يوسف رح. نے چھ نمبروں كى جو احاديث  جمع  فرمائى تھيں وه بہت تھوڑى تھيں، زياده تر احاديث علماء كى اس جماعت ہى نے شامل كركے چھ نمبر مكمل كئے ہيں، اس ليے اس كو حضرت مولانا محمد  يوسف صاحب رح. كى طرف جو منسوب كيا جارہا ہے وه بھى ايك  جھوٹ ہے افسوس ہے كہ ہميں اس وقت تو اندازہ نہ ہو سكا كہ ہم امت كو كتنے بڑے فتنے ميں ڈال رہے ہيں ۔

ہمارى آنكھيں اس وقت تو  كھليں جب حاجى صاحب نے اس (بات) سے بالكل اتفاق نہيں كيا كہ يہ ہمارى اجتماعى تعليم ميں شامل كى جائے۔ واقعى يہ بنده كتنا دور انديش ہے كہ امت كو اس فتنے سے بچا ليا ۔

اتنے اہم خاندان سے نسبت ركھنے والے مولوى سعد كى يہ خيانت الامان الحفيظ "عربى منتخب احاديث" ميں بھى مصنف كے نام كى جگہ اپنا ہى لكھ ديا ۔ شہرت كى اس قدر بھوك ، توبہ توبہ استغفر اللہ۔

كوئى پوچھے كہ"منتخب احاديث" تو پاكستان ہى كى تصنيف وتاليف ہے اور پہلى بار پاكستان ہى ميں چھپى تو پھر اس كو فضائل اعمال كے خلاف شدو مد سے كيوں چلا رہے ہو اور حضرت جى صاحب كے فيصلہ كو تم  ماننے پر كيوں تيار نہيں ہو بلكہ اس كے خلاف بغاوت پر آماده ہو ۔

"منتخب احاديث" اس وقت پورے عالم ميں وجہ اختلاف اور فتنہ بن گئى ہے اب ہم لوگوں كو پچھتاوا ہے كہ ہم نے كيوں ايسے كا كہنا مان كر اس كتاب كو مرتب كيا ۔خدائے كريم ہمارى اس كو تاہى كو معاف فرما دے ۔

تصنيف كى لائن كى تو يہ عظيم خيانت ہے ہى ۔

فقط والسلام : بنده محمد بلال كراچى





উৎস: আবদুল্লাহ আল ফারুক এর fb টাইমলাইন থেকে

#মুনতাখাব_হাদিস’

#একটি_কুৎসিত_ইতিহাস

Comments

Popular posts from this blog

দাওয়াত ও তাবলীগের সংকটের নেপথ্যে-মাওলানা সাদ সাহেবের দলীলবিহীন গায়বী কথা বলা ও বিদআত আবিষ্কার করা

মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব (দাঃবাঃ) ।। আপনারা জানেন, দ্বীনের বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলতে হলে দলীলভিত্তিক বলতে হয়। আন্দাযে কথা বলা, ধারণাভিত্তিক কথা বলা, অনুমান করে কথা বলা জায়েয নেই। গায়বী কথা, যেটা জানার সূত্র হল একমাত্র অহী। আল্লাহ তাআলা নবীদেরকে অহীর মাধ্যমে অনেক গায়বী কথা জানিয়েছেন। এখন তো অহী বাকি নেই। তাহলে এখন যদি গায়বী কথা বলে, সেটা অনুমান ভিত্তিক হবে না? মাওলানা সা‘দ সাহেবের বড় এক মসীবত হল গায়বী কথা বলা, গায়বী কথা মানেই তো দলীলবিহীন কথা। গায়বী কথা মানেই তো যার কোনো দলীল নেই। যে গায়বী বিষয়গুলোর আলোচনা কুরআন-হাদীসে এসে গেছে সেগুলো তো কুরআন-হাদীসে আছেই এবং সেগুলো অহীর মাধ্যমে এসেছে। কিন্তু এর বাইরে তিনি অনেক গায়বী এবং আন্দাযে কথা বলেন। এটা ছোট ভুল না বড় ভুল? বড় ভুল। এটা কি সগীরা গোনাহ না কবীরা গোনাহ? কবীরা গোনাহ। মাওলানা সা‘দ সাহেবের বড় মসীবত এবং একটি বড় ভুল হল এই গায়বী কথা বলা। ২. মাওলানা সা‘দ সাহেবের আরেকটি বড় ভুল হল, তিনি #দলীল_পরিপন্থী এমন অনেক #গলত_মাসআলা এবং #গলত_মতবাদ_আবিষ্কার করতে থাকেন, কোনো সাহাবী, কোনো তাবিয়ী এবং কোনো মুজতাহিদ এমন কথা বলেননি; বরং তা সম্পূর্ণ তার নিজের আবি...

সরেজমিন : ফিরে দেখা ১ ডিসেম্বর, কী ঘটেছিল সেদিন

সরেজমিন : ফিরে দেখা ১ ডিসেম্বর, কী ঘটেছিল সেদিন [এ লেখাটির প্রধান উদ্দেশ্য ইতিহাস সংরক্ষণে অংশগ্রহণ। কারণ ইতিহাসের যথাযথ সংরক্ষণ- এটি প্রতিটি প্রজন্মের উপর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হক। আরেকটি উদ্দেশ্য হল, এতাআতী ভাইদের হেদায়েত কামনা। হয়ত এটা পড়ে তাদের কারো বোধ জাগবে, অন্তরে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হবে এবং সঠিক রাস্তায় ফিরে আসবে। হেদায়েত আল্লাহর হাতে, তিনিই তাওফীক দেওয়ার মালিক। আর যাদের মজলুমিয়াতের কিছুটা বিবরণ এই লেখায় উঠে এসেছে তাদের জন্য এটা ইহসান ও ইহতিসাবের সিফাত যিন্দা করার যরীআ হতে পারে। আল্লাহ তাদেরকে নিজের হেফাযতে রাখুন। এমন কথা ও কাজ থেকে বাঁচার তাওফীক দান করুন, যা মজলুমিয়াতের ফায়দা ও বরকত নষ্ট করে দেয় বা কমিয়ে দেয়। আশা করি, তারা পূর্বের মতো وَ لْیَعْفُوْا وَ لْیَصْفَحُوْا اَلَا تُحِبُّوْنَ اَنْ یَّغْفِرَ اللهُ لَكُمْ (তারা যেন ওদেরকে ক্ষমা করে এবং ওদের দোষ-ত্রুটি উপেক্ষা করে। তোমরা কি চাও না, আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিন? -সূরা নূর (২৪) : ২২) -এর উপর আমল জারি রাখবেন। -তত্ত্বাবধায়ক]  - মাসউদুয যামান শহীদ ১ ডিসেম্বর ২০১৮।  মনে পড়ে যায় টঙ্গীর ইজতিমা ময়দানের সেই লোমহর্ষক কাহিনী, ...

ওলামা মাশায়েখদের খাস মজলিস। শেখ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব (দাঃবাঃ)ভারত । ২০২৩। পুরাতন সাথীদের জোড় ২০২৩

ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশ্যে বয়ান আলামী শুরার আকাবীর হজরত মাওঃ ইব্রাহীম দেওলা সাহেব দাঃবাঃ পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড়। দিয়াবাড়ী উত্তরা, ঢাকা।